Skip to main content

২০১ গম্বুজ মসজিদ

লেখকঃ 


নির্মাণাধীন এই মসজিদটি গম্বুজের দিক থেকে প্রথম এবং উচ্চতর দিক থেকে দ্বিতীয় হতে যাচ্ছে। এখনো পুরোপুরি কাজ শেষ হয়নি তবে প্রতিনিয়ত এখানে নামাজ পড়ানো হয়। অত্যন্ত দৃষ্টিনন্দন এই মসজিদের ছাদে ৮১ ফুট উচ্চতার একটি গম্বুজ রয়েছে। এই বড় গম্বুজের চারপাশে ছোট ছোট গম্বুজ আছে ২০০টি। এই মসজিদের ধারণ ক্ষমতা প্রায় ১৫,০০০ জন। এই মসজিদে রয়েছে চোখ ধাঁধানো সব কারুকাজ আর উপরের দেয়ালে অংকিত রয়েছে পুরো কুরআন শরীফ।

যেভাবে যাবেন

ঢাকা মহাখালি থেকে গোপালপুরের সরাসরি বাস রয়েছে। ভাড়া ১৫০-২০০ টাকা।আবার চাইলে একটু রিলাক্সে এসি বাসেও যেতে পারেন। কল্যানপুর থেকে ধনবাড়ি গামি এসি বাস এ করে ঘাটাইল ক্যান্টনমেন্ট নেমে সিএনজি করে গোপালপুর যেতে পারবেন। বাস যেখানে থামে সেখান থেকে অটো বা সিএনজি করে যাওয়া যায় পাথালিয়া ইউনিয়নের এই মসজিদে। আবার ফেরত আসার সময় গোপালপুর থেকে বিকেল পাঁচটায় সর্বশেষ ঢাকাগামী বাস ছেড়েআসে। আর কেউ যদি ট্রেনে যেতে চান তাহলে সকাল ৬:৩০ টায় কমলাপুর রেল স্টেশন থেকে টাঙ্গাইলের ট্রেনে উঠে চলে যেতে পারেন।

খরচ

ঢাকা মহাখালি থেকে গোপালপুরের সরাসরি বাস ১৫০-২০০ টাকা।
বাসস্ট্যান্ড থেকে ঝাওয়াইল যাওয়া অটোরিক্সা বা সি এন জি জনপ্রতি ভাড়া ২০-২৫টাকা।
এরপর সেখান থেকে মসজিদের দূরত্ব ১ কিলোমিটারের মতো। ভ্যানে করে গেলে জনপ্রতি ১০ টাকা নিবে।

খাবার

ঠিক মসজিদের সামনে ছোট বড় অনেক দোকান রয়েছে। দুপুরের খাবার খেতে চাইলে ঢুকতে পারেন যেকোনো একটা হোটেলে। তাছাড়া হালকা নাস্তা করার জন্যও ভালো ব্যবস্থা রয়েছে।

Comments

Popular posts from this blog

মেঘের রাজ্য মেঘালয় ভ্রমণ

মেঘালয় ট্যুর ৫ রাত ৪দিন।ভিসা প্রসেসিং আর ট্রাভেল ট্যাক্স সহ ৮২০০ টাকায় সকল খরচ। কোথায় যাবেন, কোথায় থাকবেন, ঘুরবেন, খরচ সহ বিস্তারিত তথ্য দিয়ে দিলাম। আসা করি লেখা টি পড়ে আপনি নিজে মেঘালয় ঘুড়ে আসতে পারবেন কোন ঝামেলা ছাড়া। মেঘালয় যাওয়ার কথা ভাবছেন? ভালো কোন গ্রুপ বা কোন প্যাকেজ পাচ্ছেন না? একা গেলে খরচ বেশি তাই ইচ্ছা থাকা সত্যও যেতে পারছেন না? তাহলে আপনার জন্যই আমার এই লেখা।আপনার ভ্রমনে বিন্দু পরিমানে উপকারে আসলেও আমার কষ্ট করে লেখা সার্থক। ছোট বেলা থেকেই মেঘ ছোয়ার ইচ্ছে ছিলো প্রবল। সাজেক(খাগড়াছড়ি) আর নীলগিরি(বান্দরবন) ভ্রমনে মেঘের খেলা দেখে মেঘের প্রতি দুর্বলতা আরও বেশী বেড়ে যায়।ভাবতে থাকি কিভাবে মেঘ আরও কাছ থেকে ধরা-ছোঁয়া যায়।অবশেষে অপেক্ষার পালা শেষ হলো।মেঘ ধরার স্বপ্ন নিয়ে মেঘের রাজ্য “মেঘালয়” গেলাম। আমি গত ১৫অক্টোবর রাতের গাড়িতে মেঘালয় যাই এবং ২০তারিখ ফিরে আসি। ভিসা প্রসেসিংঃ ৮০০টাকা। ট্রাভেল ট্যাক্সঃ ৫০০টাকা। ১ম রাতঃ বাসা থেকে সায়দাবাদঃ৩০টাকা। ঢাকা টু তামাবিল(জাফলং ও একই ভাড়া)বাস ভাড়াঃ ৪০০টাকা। রাতের খাবার(হোটেল উজানভাটা) ১০০টাকা। সকালের নাস্তা(বর্ডার সংলগ্ন চায়ের দোকান) ৩০টাকা। বাং...

মন প্রশান্তির হাজাছড়া ঝর্ণা

হাজাছড়া ঝর্ণা উঁচুনিচু পাহাড় আর টিলা দ্বারা বেষ্টিত রাঙামাটি জেলা দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত সবুজের অদ্বিতীয় আবাসস্থল। পাহাড়ি এলাকা বলে রাঙামাটির আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে প্রচুর ঝিরিপথ, ঝর্ণা আর ছড়া। তাই রোমাঞ্চপ্রেমীদের পছন্দের তালিকায় উপরের সারিতে রাঙামাটি জেলা জায়গা করে নেয় সবসময়। দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ কৃত্রিম লেক কাপ্তাই লেক এই জেলাতেই অবস্থিত। রাঙামাটি আর কাপ্তাই নিয়ে লেখার আছে অনেক কিছু, তবে আজ এই জেলায় অবস্থিত হাজাছড়া ঝর্ণা সম্পর্কে জানানোর চেষ্টা করবো, যাকে অনেকে খাগড়াছড়ি জেলার অন্তর্গত ভেবে ভুল করে। রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার বাঘাইহাট নামক জায়গায় অবস্থিত হাজাছড়া ঝর্ণাটি। অবস্থান অনুসারে ঝর্ণাটি রাঙামাটি জেলার অন্তর্গত হলেও ভ্রমণের জন্য খাগড়াছড়ি জেলা দিয়েই যাওয়াটাই সহজতর। তাই অনেকে ঝর্ণাটিকে খাগড়াছড়ি জেলার অন্তর্গত ভেবে ভুল করে। পাহাড়ি এ ঝর্ণাটি দিনকে দিন সাজেকগামী পর্যটকদের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। কারণ সাজেক যাবার পথে বাঘাইছড়ি আর্মি ক্যাম্পের আগেই এর অবস্থান। তাই সাজেক যাওয়ার পথে কিংবা ফিরতি আসার পথে প্রকৃতির এই অনিন্দ্য সৃষ্টিতে ঢুঁ মারা এক প্রকার আবশ্যক...